সম্পাদকের কলমে--
জীবন জীবনের মত বয়ে চলে। আমাদের পত্রিকাও চার বছরের সীমানা পার করতে চলছে। নিয়ম মত চলতে গেলেও উল্লংঘন, অনিবার্যতা এসে পড়ে। সাময়িক বাধা বিঘ্নতা পেরিয়ে আজ পর্যন্ত আমরা এগিয়ে চলেছি। সম্পূর্ণ বলা যাবে না তবে ক্রমশ মার্জিত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন একটা পত্রিকা তৈরি করতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। এ ব্যাপারে আমরা কতটা সফল হতে পেরেছি তা পাঠকবর্গ বলতে পারবেন--সর্বদাই পাঠকের সমালোচনা বা আলোচনা উন্নতির সঠিক দিশা নির্দেশক হয়ে ওঠে।
আমরা ভাবছি বাংলা নববর্ষে একটি সংকলন প্রকাশ করব। সেটি হবে আমাদের নববর্ষ সংকলন। তাতে আমরা নতুন লেখা বা লেখক যুক্ত করতে চাইছি না। আমাদের পূর্ব প্রকাশিত স্বরধ্বনি, বর্ণালোক ও স্ব-বর্ণ সংখ্যাগুলি থেকেই আমরা লেখা বেছে নেব। সংকলন অবশ্যই গল্পকবিতার হবে। সংকলনটির কপি প্রত্যেক লেখক তথা কবিদের ঠিকানায় বুক পোস্ট করে পাঠানো হবে। রেজিস্টার পোস্ট বা কুরিয়ারে পেতে গেলে তার খরচ কিন্তু লেখক-পাঠকে বহন করতে হবে, তবে আমন্ত্রিত লেখকের ক্ষেত্রে সংকলনটি পাঠাবার জন্য কোন রকম খরচ আমরা গ্রহণ করব না। নিবেদন ইতি-- তাপসকিরণ রায়।
সহ-সম্পাদকের কলমে :
প্রকাশিত হচ্ছে পত্রিকা প্রতি মাসে। আমরা একটি সংখ্যা করি কবিতাকে নিয়ে, অন্যটি গল্প নিয়ে। আমাদের সকলের প্রিয় দেবী সরস্বতীর আর্শীবাদ ধন্য এই সংখ্যা। শীত যাচ্ছে ধীরে ধীরে, বসন্তের আগমন বার্তা সকলের কাছে। আমাদের পত্রিকার কাজও চলছে বিভিন্ন কাল ও উৎসবকে নিয়েই। আপনাদের সকলকে সাথে নিয়ে চলছি আমরাও বিভিন্ন সংখ্যায় ভিন্ন স্বাদের লেখা নিয়ে।--শমিত কর্মকার
সহ-সম্পাদকের কলমে--
এই তো সবেমাত্র পেরিয়ে এলাম সরস্বতী পূজো, অতি বর্ষণের আশঙ্কা বুকে নিয়ে। পেরিয়ে এলাম শীতল ষষ্ঠীর ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাত (খাবার ) আর গোটাসেদ্ধ খাবার দিন। প্রাচীন রীতি অনুযায়ী বাঁশপাতা হাতে নিয়ে শীতল ষষ্ঠীর ব্রতকথা শুনে সন্তানের কপালে দই হলুদের ফোঁটা দিয়ে মা ষষ্ঠীর কাছে সন্তানের মঙ্গল কামনায় উদ্বেল মাতৃহৃদয়ের চিরন্তন প্রার্থনার পালা। যদিও ঐতিহ্য পূর্ণ সেসব প্রাচীন প্রথাগুলির অনেকটাই আজ লুপ্তপ্রায় । সৃজনশীল মনের মাধুরী মেশানো ছন্দে ছড়ায় গাঁথা সেসব গল্পগাথা আজকের প্রজন্মের কাছে ইতিহাস মাত্র, তবুও অনেক না বলা কথাই নানা রূপে গল্প হয়ে রয়ে যায় বুকের ভেতর । তেমনই কিছু গল্পের সম্ভার নিয়ে আজকের স্বরধ্বনি ব্লগের পশরা সেজে উঠেছে রঙে রসে বর্ণে গন্ধে--সাবিত্রী দাস।
No comments:
Post a Comment