Showing posts with label অনন্যা দাস. Show all posts
Showing posts with label অনন্যা দাস. Show all posts

Monday, 31 January 2022

বিবেক--অনন্যা দাস


বিবেক
অনন্যা দাস 


লজ্জা থাকা দরকার, নির্লজ্জের মতো ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে কি লাভ বলতে পারিস।আচ্ছা তোর কি একেবারের জন্য অনুশোচনা হয় না।আমি তোর মা এত খাঁটি তোর জন্য। তোর মা যে স্বপ্ন গুলো রাত জেগে বসে বসে দেখছে, সেগুলো কে পূরণ করবে হতচ্ছাড়া।
দেখ গিয়ে পাড়ার শ্যামলী মাধ্যমিকে ৯৪% পেয়েছে, জানিস ও মা কি করে মানুষের বাড়ি থালা বাসন ধোয়।আর তুই সারাদিন ঘর বদ্ধ করে কি করিস ঘরে,,ওই লেখালেখি, কি ভেবেছিস ও তোকে ভাত দেবে।না রে না।হপ্তায় সাত থেকে আট দিন টিউশনি কামাই, হ্যাঁরে টিউশন ফি কি মাগনায় আসে হতচ্ছাড়া। তোর ডায়েরি শেষে‌ আগুনে খাবে।জীবনে স্বার্থপরের পক্ষ নিতে শিখ। কম্পিটিশন কম্পিটিশন কম্পিটিশন, চারিদিকে শুধু কম্পিটিশন রে হতভাগা।
না না বাবা না, আমি এই সব কিছু হতে চাইনা বাবা,বাবা আমি বড়ো লেখক হতে চাই, বাবা আমি মানুষের মনুষ্যত্ব কে জাগিয়ে তুলতে চাই।বাবা আমি কোনো প্রতিয়োগিতায় অংশ নিতে চাই না বাবা।বাবা আমি বাঁচতে চাই।উড়তে চাই আকাশে।এই ভাবে তোমরা কম্পিটিশনের লোভ দেখিয়ে আমার ডানা দুটো ছেঁটে দিও না বাবা। বাবা রোজ অফিস থেকে ফিরে তুমি আমার কাছে পড়া নিয়ে বস, কাল থেকে ঠাম্মার জ্বর দেখা করতে যাও কি বাবা? ঠাম্মার প্রয়োজন শেষ তাই তুমি তাকে গুরুত্ব দাও না?
বলো না বাবা কেমন হবে আমিও যদি তোমায় এমন করি।
বলো না বাবা কেমন হবে আমি যদি স্বার্থ খুঁজে মরি।
ক্ষমা করো বাবা আমি অনেক দিন আগেই বড়ো হয়ে গেছি,স্বপ্নটা আমার,দায়িত্বটাও আমার।
 চিঠিটা পড়ে রবীন বাবুর চোখ দুটো জলে ভরে গেল।      

            (বিবেক)
          অনন্যা দাস

২রা ফেব্রুয়ারি এবং আমি"--বহ্নি শিখা

২রা ফেব্রুয়ারি এবং আমি" বহ্নি শিখা  খুব মানসিক চাপের ভিতর দিয়ে ঘুম থেকে উঠে গেলাম।ভালো লাগছিলো না মোটেই। আজকাল  মাঝেই মাঝে...